এক সময়ে ষাঁড়ের লড়াই ছিল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য। কিন্তু দিন দিন এটি ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করছে। বাহারী নামের ষাঁড়ের পাশে লোকজন বাজি ধরে। তার পরিমাণ ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। কোন কোন সময় বাজির টাকার ডবল পায়। আবার কোন সময় বাজির টাকা পুরোটাই চলে যায়। মোটকথা, এটি নেশায় পরিণত হয়েছে। এই নেশাগ্রস্থ লোক যে কোন জায়গায় এই খেলা হোক না খেলা কেন লড়াই শুরুর আগে না যেতে পারলেই মাথা নষ্ট। এজন্য ভোর ৪টার সময় যাত্রা শুরু করে। নাম না প্রকাশ করার শর্তে ‘মাইওপো’কে বলেন, এই সবনাশা ষাঁড়ের লড়াই-এ আমি এখন পথে বসেছি-সমাজ থেকে এ খেলাটা বন্ধ করা উচিত।
ষাঁড়ের লড়াই কেন ভয়ঙ্কর নিম্নে প্রদত্ত হল:
>দুটি ষাঁড়কে অযথা কষ্ট দেওয়া।
>দুটি ষাঁড় একটি অন্যটিকে ভয়ানকভাবে আক্রমণ করে।এমনকি মারাত্মকভাবে আহত হয়।
>ষাঁড়ের পাগলামীতে মানুষও হতাহত হয়।
>এটি বাজি ধরার খেলা মানে জুয়া খেলা।
>মানুষ নেশাগ্রস্থ হয়ে যায়।ফলে সংসারের প্রতি মনোযোগ কমে যায়।
>তাড়াহুড়াতে দুঘটনার কবলে পড়তেও শোনা যায়।
>ঝগড়ার সৃষ্টি হয়।
>দুটি ষাঁড়কে অযথা কষ্ট দেওয়া।
>দুটি ষাঁড় একটি অন্যটিকে ভয়ানকভাবে আক্রমণ করে।এমনকি মারাত্মকভাবে আহত হয়।
>ষাঁড়ের পাগলামীতে মানুষও হতাহত হয়।
>এটি বাজি ধরার খেলা মানে জুয়া খেলা।
>মানুষ নেশাগ্রস্থ হয়ে যায়।ফলে সংসারের প্রতি মনোযোগ কমে যায়।
>তাড়াহুড়াতে দুঘটনার কবলে পড়তেও শোনা যায়।
>ঝগড়ার সৃষ্টি হয়।
তাই এই অমানবীয় ও সমাজের অপকারী কর্মকান্ড সমাজ থেকে বিতাড়িত করার জন্য জনসচেতনা ও প্রশাসনের আন্তরিকতা প্রয়োজন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন